রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে চায় আমেরিকা

মিয়ানমারের নির্যাতনে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এবং অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে থাকা রোহিঙ্গাদের যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসন করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
রোহিঙ্গা সংকটের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবাসাইটে বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে। ব্লিঙ্কেন বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনর্বাসন বাড়াতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। যাতে তারা (রোহিঙ্গারা) যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে জীবন গড়তে পারে।
তবে কবে থেকে কিংবা কতজন রোহিঙ্গাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।
মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের এবং বার্মার জনগণকে তাদের স্বাধীনতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের সাধনায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার অগ্রগতি, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি এবং বার্মার সব ব্যক্তির মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা রক্ষা করার মাধ্যমে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ডের ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে উল্লেখ করে ব্লিঙ্কেন বলেন, একইভাবে আমরা বার্মার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশকে সমর্থন করব।
এবিসিবি/এমআই