আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে বিপুল অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাউথ ইস্ট এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি দিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলন শুরু করেছেন। এগুলো খরচ হবে অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও মহামারি বিরোধী কার্যক্রমে। মূলত ওয়াশিংটনের এ প্রতিশ্রুতির কারণ হচ্ছে—এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব কমিয়ে আনা।
শুক্রবার (১৩ মে) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে আলোচনার আগে হোয়াইট হাউসে বৃহস্পতিবার এক নৈশভোজ আয়োজনের মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসভুক্ত (আসিয়ান) দেশের নেতাদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী শীর্ষ সম্মেলন শুরু করেছেন বাইডেন। খবর আলজাজিরার।
আলোচ্যসূচিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয় থাকলেও বাইডেন প্রশাসন দেখাতে যায়, ওয়াশিংটন এখনও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছে, যে অঞ্চলে বেইজিং শক্তিশালী খেলোয়াড় হয়ে ওঠেছে।
গত নভেম্বরে চীন আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে (ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, লাওস, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইন) উন্নয়ন সহায়তা হিসেবে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দেশগুলোকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার জন্য বলছি না। আমরা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া আরও শক্তিশালী সম্পর্ক।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আয়োজনে ২০১৬ সালের পর আসিয়ানের নেতারা প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউসে জড়ো হলেন। শুক্রবারের আলোচনায় জোটের আটটি দেশের নেতারা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আসিয়ানের বেশ কিছু দেশের সঙ্গে চীনের বিরোধ রয়েছে। বেইজিং এ সাগরের ৯০ শতাংশ এলাকার মালিকানা দাবি করে। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি।