মারিজুয়ানাকাণ্ডে ইন্দোনেশিয়া থেকে কূটনীতিককে প্রত্যাহার করল বাংলাদেশ

জাকার্তার বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন কাজী আনারকলিকে ফিরিয়ে এনেছে সরকার। তার বাসায় নিষিদ্ধ মাদক মারিজুয়ানা পাওয়ার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে ইন্দোনেশিয়া সরকারের অনুরোধে তাকে প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা গেছে।
জাকার্তায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ডেপুটি চিফ অব মিশনে দায়িত্বরত কাজী আনারকলির বাসায় চলতি বছরের ৫ জুন অভিযান চালায় ইন্দোনেশিয়ার মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। সে সময় তার বাসায় নিষিদ্ধ মাদক মারিজুয়ানা পাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, আনারকলির দক্ষিণ জাকার্তার বাসায় ইন্দোনেশিয়া সরকারের মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গত ৫ই জুলাই আচমকা অভিযান চালায়। ওই অ্যাপার্টমেন্ট টাওয়ারে নিষিদ্ধ মাদক মারিজুয়ানা রক্ষিত আছে- এমন অভিযোগে অভিযান চলে।
কাজী আনারকলি একজন নাইজেরিয়ার নাগরিকের সঙ্গে অ্যাপার্টমেন্ট শেয়ার করতেন। তিনি নাকি নাইজেরিয়ার নাগরিক ওই মাদক রেখেছিলেন সে বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে স্পষ্ট করা হয়নি।
ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কূটনীতিক আনারকলি দায়মুক্তির আওতাধীন ছিলেন। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ান মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সেটি উপেক্ষা করেই বাসায় অভিযান চালায় এবং তাকে আটক করে নিয়ে যায়। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা পর দূতাবাসের জিম্মায় ছাড়া পান তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটি জানার পরপর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়। তার দেশে ফেরার আদেশ জারি করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ডি এম সালাহ উদ্দিন মাহমুদ কূটনীতিক আনারকলিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি স্বীকার করেন।
এর আগে ২০১৭ সালে গৃহকর্মী নিখোঁজের দায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাজী আনারকলিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।