শান্তর সেঞ্চুরিতে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ । বৃষ্টি বাধায় ৪৫ ওভারে নেমে আসে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ। টস হের ব্যাট করতে নেনে হ্যারি টেক্টরের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেয় আইরিশরা। ৪৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৯ রান করে আয়ারল্যান্ড।
৩২০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শান্তর সেঞ্চুরি ও হৃদয়ের ফিফটিতে ৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ।
ইনিংসের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে এসেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন পেসার হাসান মাহমুদ। ওভারের পঞ্চম বলে আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিংকে আউট করেন হাসান। রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফিরে যান স্টার্লিং।
স্টার্লিংয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি। স্টিফেন ডোহেনিকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন বালবির্নি। তবে দলীয় ১৬ রানে ফের উইকেট হারায় আইরিশরা। ফের বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন হাসান মাহমুদ। ২১ বলে ১২ রান করে আউট হন স্টিফেন ডোহেনি।
এরপর হ্যারি টেক্টর ও অ্যান্ডি বালবির্নির ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে আয়ারল্যান্ড। সাবলীল ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক পূরণ করেন টেক্টর। তবে দলীয় ১১৪ রানে উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। ৫৭ বলে ৪২ রান করা বালবির্নিকে সাজঘরে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন পেসার শরিফুল।
এরপর ক্রিজে এসেই সাজঘরে ফিরে যান লোরকান টাকার। দলীয় ১৩৮ রানে ১১ বলে ১৬ রান করে আউট হন তিনি। এরপর কার্টিস ক্যাম্পারকে সঙ্গে নিয়ে মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকেন টেক্টর। তবে দলীয় ১৬৭ রানে ক্যাম্পারকে আউট করেন তাইজুল ইসলাম। একদিকে উইকেট হারালেও অন্যপ্রান্তে মারমুখী ব্যাটিংয়ে ৯৩ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন টেক্টর।
সেঞ্চুরির পর ক্রিজে আসা ডকরেলকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন টেক্টর। মারমুখী ব্যাটিংয়ে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন ডকরেল। দলীয় ২৮২ রানে টেক্টরকে আউট করেন এবাদত হোসেন। এতে ১১৫ রানের জুটি ভাঙে।
এরপর ক্রিজে আসা মার্ক অ্যাডায়ারকে সঙ্গে নিয়ে মারমুখী ব্যাটিং চালিয়ে যান ডকরেল। শেষ পর্যন্ত ৪৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৯ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড।
৩২০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪০ রানে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর সাকিবকে নিয়ে ৬১ রানের জুটি গড়েন শান্ত। দলীয় ১০১ রানে ২৭ বলে ২৬ রান করে আউট হন সাকিব।
সাকিবের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে ১৩১ রানের জুটি গড়েন শান্ত। ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন শান্ত। অন্যদিকে সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন হৃদয়।
৫৮ বলে ৬৮ করে আউট হন হৃদয়। আর দলীয় ২৫৭ রানে ৯৩ বলে ১১৭ রান করে আউট হন শান্ত। শেষ দিকে মুশফিকের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। এই জয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।
এবিসিবি/এমআই