সর্বোচ্চ সতর্কতায় সীমান্তরক্ষীরা, আতঙ্কে বাসিন্দারা

জেলা প্রতিনিধিঃ গত কয়েকদিনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার বাহিনীর ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে নো ম্যান্স ল্যান্ডে ১ রোহিঙ্গা তরুণর মৃত্যু এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। এ ছাড়া মিয়ানমারের পুঁতে রাখা মাইনে আহত হয়েছেন ১ বাংলাদেশি। প্রতিদিনই সীমান্তের এপার থেকে থেমে থেমে শোনা যাচ্ছে গুলি ও মর্টারের শব্দ। কখনও এসে পড়ছে গুলি ও গোলা।
এ পরিস্থিতিতে দেশের সব বাহিনীর সঙ্গে রোববার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখতে বলা হলেও কূটনৈতিকভাবেই সমাধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সংলগ্ন তুমব্রু একায় বিজিবির কড়া নিরাপত্তা।
গত এক মাস ধরে মিয়ানমার সীমান্তের গোলাগুলির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম সীমান্তের বাসিন্দাদের। এখনও সেই এলাকা জুড়ে আতংক। এমন পরিবেশেও অবুঝ শিশুরা একটি সড়কের সামনে বাড়ি উঠনো খেলাধুলায় ব্যস্ত।
২৮ আগস্ট তুমব্রুর উত্তর পাড়ার নূর আহমেদের এই বাড়ির উঠানেই পড়েছিল মর্টারের গোলা। নূর আহমেদের ছেলে শাহরিয়ার ও তাদের প্রতিবেশি সৈয়দ আমিনের নাতি হাবিবার চোখে-মুখে এখনো ভাসছে সেই দুর্বিষহ স্মৃতি।
সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় চলাচলকারীরা বিজিবির তল্লাশির পরই পাচ্ছে যাতায়াতের অনুমতি।
এবিসিবি/এমআই